আমাদের কুরআন-হাদিস না পড়ার জনপ্রিয় অজুহাত

17150680071_b4c4a68d1d_o~
মদিনায় মসজিদ আন-নাবাউইতে মাগরিব ও ‘ইশার নামাজের মাঝামাঝি সময়ে শিশুদেরকে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করতে দেখা যায়।

কুরআন এবং হাদীসের মর্মার্থ অত্যন্ত সুগভীর এবং ইন্টেলেকচুয়াল ভায়া-মিডিয়া ছাড়া সেগুলো জানার আর বোঝার চেষ্টা করা বৃথা, এই কথাটা আমাদের মগজে যে বা যারাই ঢুকিয়েছে, ইসলামোফোবিক আর অ্যান্টি-ইসলাম এলিমেন্টসকে এদের চেয়ে বেশি সাহায্য আর কেউ করে নাই। এর চেয়ে বেশি আদৌ করা সম্ভব কিনা তাও ভাবার বিষয়।

সবচেয়ে মারাত্মক কথা হচ্ছে, এই কাজটা যারা করেছে, তাদের একটা অধিকাংশই কাজটা “কুরআন একটা অত্যন্ত প্রোফাউন্ড ডকুমেন্ট”, “কুরআনের মর্মার্থ অত্যন্ত গভীর”, “কুরআনের স্থান অত্যন্ত উচ্চ” ইত্যাদি এই জাতীয় কথা বলেই করেছে। এখনও করে যাচ্চে। এবং তাদের কথায় আমাদের বাসা-বাড়িতে কুরআন-হাদীসের বইগুলো আলমারী-শোকেইস-বুককেইসের এতই উপরে চলে গেছে যে, সেগুলো এখন আর আমাদের সহজে নামিয়ে পড়াই হয় না।

পড়া তো হয়ই না, পাশাপাশি আমরা অধিকাংশরাই কুরআন আর হাদীসের সহজ ও সরাসরি নির্দেশ-উপদেশ-নিষেধ, যেগুলোই হচ্ছে মূলত ভাস্ট মেজরিটি, সেগুলোকে ছেড়ে একেবারে গুটিকতক যেই কিছু আসপেক্টের ব্যাখ্যা নিয়ে মতান্তর আছে, সেগুলো নিয়ে বেশি ব্যস্ত থাকতে পছন্দ করি।  আর বলি, “দোষ মোল্লাদেরই, একেকজন একেক কথা বললে মানুষ কারটা শুনবে?”, অথচ নামাজটাই ঠিক মত পড়ি না, বাংলা অনুবাদে যেই “নামাজ” সার্চ করলে ৮৮টা রেজাল্ট (৮৮ বার উল্লেখ) পাওয়া যায়।

Advertisements

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s